বের হবার আগে কমপ্লেক্সের সিকিউরিটি গার্ডকে জিজ্ঞেস করলাম বাধাঘাট কিভাবে যাব? সে বললো এভাবে যান। ভাবলাম কাছেই হবে বোধ হয়। চক্কর খেয়ে আবার সেই নিশিনাথ তলার কাছে এসে পড়লাম। খুঁজেছে বাধাঘাট। নৌকা বাইচের জন্য লোকে লোকারণ্য চারদিক আমরাও হারালাম দিক বেদিক। আমি কোথায় খুঁজি তারে, কোথায় তুমি বাধাঘাট। নিশিনাথ তলা …
Read More »নড়াইলের পথে ঘাটে: অরুনিমা বিভ্রান্তে কালিয়ায়
খুব ভোরে উঠার ইচ্ছা থাকলে ক্লান্ত দেহঘড়ি কি সায় দেয় সে কথা। আবার যদি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কামরা হয় পরিব্রাজক দেহে তো আরও বেশি জং ধরে। তাই বেশ ভাল ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিলাম। যখন ঘুম জাগানিয়া পাখি ডেকে গেল ঘড়িতে বাজে ৮টা। হায় সর্বনাশ, অরুনিমা যাওয়া হবে না আজ। ওয়াফি গণ্ডারের মত …
Read More »ভূষণার রাজা সীতারামের দেশে: নদের চাঁদ ঘাট
সীতারামের দূর্গ থেকে আমাদের ভ্যান ছুটে যাচ্ছে আর এক কিংবদন্তির ইতিহাস জানতে৷ ছুটে চলছে ভ্যান পাঁচুড়িয়া গ্রামের উদ্দ্যেশে। যাব নদের চাঁদ ঘাট। নদের চাঁদের গল্প কি শুনেছো পরিব্রাজক৷ না শুনলে ক্ষতি নেই৷ এবার না হয় আমাদের সাথে শুনো নদের চাঁদের গল্প। সীতারামের রাজধানী মোহাম্মদপুরের সেই পাঁচুড়িয়া গ্রামেই নদের চাঁদের জন্ম৷ …
Read More »ভূষণার রাজা সীতারামের দেশে: শেষ পরিণতি
আমি আর ওয়াফি বেশ সময় কাটিয়ে ফেলেছি এর মধ্যে৷ ঝিরিঝিরি বৃষ্টি এর মধ্যে গতিধারা পরিবর্তন করে তুমুল বেগে পড়তে লাগলো৷ আমরা আটক হয়ে গেলাম সীতারামের দূর্গে৷ বাহিরে ভ্যানওয়ালা মামা অসহায় দৃষ্টিতে দরজা দিয়ে উঁকিঝুঁকি দেওয়া শুরু করেছে৷ তাকে ইশারায় আশ্বাস দিলাম তোমার ভাড়া বাড়িয়ে দিব৷ সে ফিচকে হাসি দিয়ে ফিরত …
Read More »মন চলরে লালদিয়ার বনে: চল যাই বনে
দক্ষিণের থেকে ফিরে এলাম কিছুদিন আগেই। তবুও যেন থামছে না দক্ষিণের পথে লেনদেন। সেই কুরবানি ঈদ থেকে শুরু হয়ে এখনও গাড়ি ছুটে চলছে। যদিও গাড়ির যাত্রী দুজন। সেই ঘুরে ফিরে আমি আর ওয়াফি আহমেদ। মাগুরা নড়াইল থেকে ঘুরে আসার পর থেমে থাকেনি পদযাত্রা। এক সপ্তাহ রেস্ট নেবার পর আবার ঘর …
Read More »ভূষণার রাজা সীতারামের দেশে: রাত্রি শেষে গান
ভ্রমণ আর জীবন দুইটা যেন এক সুতোয় গাঁথা৷ ভ্রমণপিপাসু মন থেমে থাকে না। এক গন্তব্য থেকে আর এক গন্তব্যে ছুটে যাওয়ার মাঝেই তো পরিব্রাজক জীবনের মানে খুঁজে পায়৷ আমার ভ্রমণ সঙ্গী সেই চিরাচরিত ডাবল ডিম ওয়াফি যেন জীবনে ফিরে এল নতুন কিছুর গন্তব্যের পথিক হয়ে। সর্বদা অস্থির ওয়াফি সপ্তাহের মাঝেই …
Read More »সোনালী স্বপ্নের সোনার চর: শেষ থেকে হল শুরু
খুব ভোরে যখন ঘুম ভাঙ্গলো পুরো পৃথিবী ঘোলা ঘোলা লাগলো। সর্বনাশ চোখের চশমা গেল কোথায়৷ তড়াক করে উঠে বসলাম। ভাগ্য সহায় তলপেটে অনুভব করলাম চশমা। চোখ থেকে চশমা কি ভাবে ওখানে গেল বুঝতে পারলাম না৷ ১৯-২০ হলে পড়ে যেতে পারতো ক্যানেলে। পূর্বাকাশে তাকিয়ে দেখলাম রক্তিম আভা লাভ করেছে। ভোরের সূর্যটা …
Read More »সোনালী স্বপ্নের সোনার চর: নির্ঘুম রাত
শুনাবো মানুষবিহীন এক চরের গল্প। যেখানের বাসিন্দা ছিল বন মহিষ, শিয়াল, হরিণ, বানর, সাপ, পাখ-পাখালি আর কিছু স্বপ্নবিলাসী মানুষ। রাতে সাগর পারে যেমন দেখেছি মহিষের পাল সারি সারি লাইন ধরে জঙ্গলে যাচ্ছে তেমনেই শুনেছি শিয়ালের হুক্কাহুয়া৷ রাত জাগা পাখির মত দেখেছি আকাশের তারা। আর ভোরের সিগ্ধতায় ভরিয়ে দিয়েছে এই দেহ …
Read More »সোনালী স্বপ্নের সোনার চর: বৈরি আবহাওয়া
প্রায় দেড়ঘণ্টা লেগুনায় অতিবাহিত করার পর এসে পড়লাম আমাদের কাঙ্খিত কচ্ছপিয়া ঘাট৷ কোমড় বাকা অনুভূতি নিয়ে নেমে জানতে পারলাম আমাদের রিজার্ভ করা ট্রলার নদী উত্তাল থাকায় বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে চর মন্তাজ থেকে কচ্ছপিয়া আসার চেস্টা করে নাই। লাইনের ট্রলারের জন্য বসে থাকতে হবে সাড়ে বারটা পর্যন্ত৷ ট্যুরে এসে অপেক্ষার …
Read More »সোনালী স্বপ্নের সোনার চর: তাসরিফনামা
ঠিকানাবিহীন মানুষের কাছে চিঠি পাঠাবে কোথায়৷ যাযাবরের ঠিকানা দ্বীপ থেকে দ্বীপান্তরে ঘুরে বেড়ায়৷ লোকালয়ের মানুষ থেকে খানিকটা দূরে যেতেই দ্বীপান্তরি হওয়া। এবার দ্বীপান্তরি হতে জাহান ভাইয়ের দলের সাথে উপকূলের এক অজানা চরে যাবার লোভখানা সামাল দিতে পারলাম না। যাযাবর হয় সঙ্গীহীন৷ ৩৪ জনের একটা গ্রুপ শুধুমাত্র সৈকত আর মামুন ভাই …
Read More »
ভ্রমনগুরু your travel adviser