পিরামিড ও নীল নদের দেশ মিশর। গল্প, উপন্যাস, চলচিত্র, ইতিহাস থেকে শুরু করে ধর্মগ্রন্থ সবখানেই উল্লেখ আছে নীল নদের অববাহিকায় গড়ে উঠা মিশরীয় সভ্যতার গল্প। ফারাওদের রাজত্ব, মমি রহস্য, নীল নদ, পিরামিড, প্যাপিরাস এসবগুলো কারণেই পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে আছে মিশর। এতদিন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে মিশর যেতে হলে আগে থেকেই ভিসা নিতে হতো, এখন অবসান হচ্ছে তার। কিছু শর্ত সাপেক্ষে বাংলাদেশীদের অন এরাইভাল ভিসা দিবে মিশর।

গত ১৫ই অগাস্ট ২০২২ মিশরের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মিশরের বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত এর মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কিছু শর্ত সাপেক্ষে বাংলাদেশী নাগরিকদের অন এরাইভাল ভিসা সুবিধা দিবে বলে জানিয়েছে মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শর্ত হচ্ছে মিশর ভ্রমণকারী সেই ব্যক্তির নিচের দেশগুলোর যে কোন একটির বৈধ অথবা ব্যবহার করা ভিসা থাকতে হবে। দেশগুলো হচ্ছে: জাপান, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও শেনজের ভিসার আওতাধীন দেশ সমূহ।

বর্তমানে শেনজেন ভিসার আওতায় ইউরোপের ২৬ টি দেশ রয়েছে। এগুলো হচ্ছে: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানী, গ্রীস, হাঙ্গেরী, আইসল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিখেনেস্টাইন, লিথুনিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ড, নরওয়ে পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্পেন, সুইডেন এবং সুইজারল্যান্ড।

এর আগে বাংলাদেশে অবস্থিত মিশরীয় দূতাবাসে মিশর ভ্রমণের জন্য অগ্রীম ভিসা আবেদন করতে হতো। সাধারণত কয়েকটি দেশ ভ্রমণ করা না থাকলে ও ব্যাংকে পর্যাপ্ত টাকা না দেখালে মিশর ভিসা দিতো না। যাদের উপরে বর্ণিত দেশগুলো ভ্রমণ করা হয়নি তাদেরকে আগের নিয়মেই ভিসা নিতে হবে।
ফিচার ছবি: উইকিমিডিয়া কমন
ভ্রমনগুরু your travel adviser