ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে এ পর্যন্ত তিনটি ট্রেন উদ্বোধন হয়েছে। করোনার কারণে ২০২০ সালের ১৫ই মার্চ থেকে বন্ধ আছে দুই দেশের মধ্যকার ট্রেন সার্ভিস। ২৬ ই মার্চ থেকে আবার চলাচল শুরু হবার কথা থাকলে পর্যটক ভিসা বাইরোড/বাই ট্রেন বন্ধ থাকার কারণে শুরু হয়নি এ ট্রেনগুলো। বাংলাদেশ রেলওয়ে আগামী ১৪ই এপ্রিল ২০২২, পহেলা বৈশাখ থেকেই চালু করতে চাচ্ছে এ ট্রেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য অনেকেই ট্রেনকে বেছে নেন। আসুন জেনে নিই এ তিনটি ট্রেন সম্পর্কে।


মিতালী এক্সপ্রেস (ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ি-ঢাকা): মূলত দার্জিলিং-সিকিমের জন্য জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যের চালু হতে যাচ্ছে এ ট্রেন। ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে নিউ জলপাইগুড়ির মধ্যে চলাচল কবে এ ট্রেন। ট্রেনের জন্য বাই ট্রেন ফুলবাড়ী পোর্ট নির্বাচন করতে হবে। ঢাকায় ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে ও শিলিগুড়ির নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন হবে। ভিসা পাওয়ার আগ পর্যন্ত ট্রেনের টিকেট কাটা যাবেনা। টিকেট পাওয়া যায় বাংলাদেশে কমলাপুর ও চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে এবং ভারতের ফেয়ারলী প্যালেস ও নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে।
ভাড়া: এসি চেয়ার ২,৭০৫ টাকা ও এসি সিট ৩,৮০৫ টাকা ও এসি বার্থ ৪,৯০৫ টাকা। এর মধ্যে ট্রাভেল ট্যাক্স অন্তর্ভূক্ত। সময়সূচী: ঢাকা থেকে ছাড়ে রাত ৯:৫০ মিনিটে, নিউ জলপাইগুড়ি থেকে ছাড়ে রাত ১১:৪৫ মিনিটে (ভারতীয় সময়)। নিউজলপাইগুড়ি ছাড়বে- রবিবার ও বুধবার। ঢকা ক্যান্টনমেন্ট ছাড়বে- সোমবার ও বৃহস্পতিবার।

বন্ধন এক্সপ্রেস (খুলনা-কলকাতা-খুলনা): খুলনা থেকে কলকাতা চলাচল করে বন্ধন এক্সপ্রেস। খুলনা স্টেশন থেকে কলকাতা স্টেশন (চিতপুরের) মধ্যে চলাচল করে এ ট্রেন। ট্রেনের জন্য বাই ট্রেন পেট্রোপোল পোর্ট নির্বাচন করতে হয়। বাংলাদেশের অংশে বেনোপোল স্টেশনে ও ভারতের অংশে কলকাতার কলকাতা স্টেশনে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন হয়। ভিসা পাওয়ার আগ পর্যন্ত ট্রেনের টিকেট কাটা যাবেনা। টিকেট পাওয়া যায় খুলনা রেলস্টেশনে এবং ভারতের ফেয়ারলী প্যালেস ও কলকাতা স্টেশনে।
ভাড়া: এসি চেয়ার/স্নিগ্ধা ১,৫০০ টাকা ও এসি সিট/বার্থ ২,০০০ টাকা। এর মধ্যে ট্রাভেল ট্যাক্স অন্তর্ভূক্ত। সময়সূচী: খুলনা থেকে ছাড়ে দুপুর ১:৩০ মিনিটে, কলকাতা থেকে ছাড়ে সকাল ৭:১০ মিনিটে। খুলনা হতে ছাড়ে প্রতি রবিবার ও বৃহস্পতিবার। কোলকাতা হতে ছাড়ে প্রতি রবিবার ও বৃহস্পতিবার
ভ্রমনগুরু your travel adviser