কায়াকে করে ২২০ কিমি পাড়ি দেবার মহাপরিকল্পণা

[pl_row]
[pl_col col=12]
[pl_text]

নৌকা সদৃশ বাহন কায়াক। ব্যতিক্রম হচ্ছে কায়াকে যে কয়জন থাকবে তাদের নিজেকেই বৈঠা বেয়ে চালিয়ে নিয়ে যেতে হয়। সারা বিশ্বেই কায়াকিং একটি জনপ্রিয় পানির খেলা (ওয়াটার স্পোর্টস)। বাংলাদেশেও ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কায়াকিং। কাপ্তাই কায়াক ক্লাব, ধলেশ্বরী ক্যাম্পিং ও কায়াকিং, মহামায়া লেক কায়াকিং, সারি ঘাট কায়াকিং, রাতারগুল কায়াকিং সহ এখন কায়াকিং করা যায় অনেক জায়গায়। তবে এখনো একেবারেই নতুন বলা যায় এ অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসকে।


সাধারণত ঘন্টা হিসেবে কায়াকিং করা হয়। এতে সাধারণ গতিতে চালালে ৫-৭ কিমি যাওয়া যায়। তবে এবার কায়াকে করে ২০০ কিমি পাড়ি দেবার মহাপরিকল্পণা করেছেন একদল অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় মানুষ। বান্দরবানের থানচি উপজেলার দূর্গম তিন্দু ইউনিয়ন থেকে শুরু বর্ষায় বিক্ষুদ্ধ সাঙ্গুর অববাহিকা ধরে বঙ্গোপোসাগর পৌছানোর লক্ষ্য নিয়ে এ অভিযানের নাম দেয়া হয়েছে “The Great Sangu Expedition-Tindu to Bay of Bengal on Kayak”!

এরকম কায়াকে করেই পাড়ি সাঙ্গু পাড়ি দেবার পরিকল্পণা ছবি ভ্রমণগুরু

বর্ষায় সাঙ্গুর রুপ থাকে ভয়াবহ। শীতের সময় অসম্ভব শান্ত এ নদীতে জায়গায় জায়গায় হাটুজলও থাকেনা। তবে বর্ষার এ চেহারা পুরোপুরি পরিবর্তন হয়ে যায়। বৃষ্টির পানিতে নেমে আসা ঢলে ক্ষণে ক্ষণে রূপ পরিবর্তন করে প্রমত্তা খরস্রোতা এ নদী। সাধাণভাবে পার হতেই বর্ষাকালে বেগ পেতে হয় পর্যটকদের। আর এর স্রোতে ভেসে যেয়ে মৃত্যুর ঘটনাও কম নয়। হঠাৎ করেই হড়কা বানে নদীর পানি দ্রুত বেড়ে যায়, ছাপিয়ে যায় দুকূল। এমন ভয়ংকর খরস্রোতা পাহাড়ি নদীতে প্রতিদিন ৩০-৪০ কিলোমিটারের বেশি চালিয়ে যাওয়া সত্যিকার অর্থেই মারাত্মক চ্যালেঞ্জিং ব্যপার।

পথে পথে নদীর ধারেই হবে ক্যাম্পিং ছবি রাব্বি ভাই

সাঙ্গু ধরে বঙ্গোপোসাগর পৌছাতে বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলা অতিক্রম করতে হবে। মোট ২২০ কিলোমিটার পাড়ি দিতে সময় লাগতে পারে ৬/৭ দিন। নদী পথে এ অভিযানে মোট ৭ টি দল (একটি সিংগেল কায়াক, বাকিগুলো ডাবল কায়াক) অংশগ্রহণ করবে। তাদের নিরাপত্তা ও উদ্ধারের কাজে নিয়োজিত থাকবে দুটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা। এ অভিযানে সহযোগীতা করবে পিক ৬৯ অ্যাডভেঞ্চার শপ, রোপ ফোর, ধলেশ্বরী ক্যাম্পিং ও কায়াকিং, নেচার একুয়াটিকস এবং ভ্রমণগুরু

নিরাপত্তা ও উদ্ধার অভিযানে থাকবে এ ধরণের নৌকা

আগামী ১৮ ই সেপ্টেম্বর তিন্দু পৌছানোর মাধ্যমে অভিযানের শুরু হবে। সব কিছু ঠিকঠাক মতো চললে ২৪/২৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে গহিরাতে এ অভিযান শেষ হবে। প্রতিদিন কায়াকিং শেষ করে সাঙ্গুর ধারে কোথাও ক্যাম্পিং করবে কায়াকিং দল ও তাদের সহযোগীরা। এ দলের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন হানিয়ুম মারিয়া রাকা ও সায়মন হোসেন। ২০১৯ সালে কায়াক চালিয়ে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়ে তারা পৌছে ছিলেন সেন্টমার্টিন। এছাড়া ফজলে রাব্বি ও হানিয়ুম মারিয়া রাকা দম্পতি তাদের বন্ধু আশরাফ সিদ্দীকিকে সাথে নিয়ে ঢাকা থেকে ভোলার চর কুকড়ি মুকড়ি ইনফ্ল্যাটেবল বোটে (হাওয়া ভরা নৌকায়) করে মাস খানেক আগে পাড়ি দিয়েছেন ৮০০ কিমি

ছবি ভ্রমণগুরু টিম

[/pl_text]
[/pl_col]
[/pl_row]

About vromonguru

Check Also

৫৫ বছর পর চালু হতে যাচ্ছে ঢাকা-শিলিগুড়ি ট্রেন চলাচল

ব্রিটিশ আমলে অভিবক্ত উপমাহদেশে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি হয়ে ট্রেন চলাচল করতো। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের সময় বন্ধ …

2 comments

  1. সবাই কি অংশনিতে পারবে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *